বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
বাংলাদেশ সফরে আসছেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, বেড়েছে প্রবৃদ্ধি

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, বেড়েছে প্রবৃদ্ধি

চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ছয় মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তিন হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৭৫৪ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ৮.৫৫ শতাংশ। আর গত বছর একই সময় আয় হয়েছে দুই হাজার ৭৩১ কোটি ডলার।

মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা যায়, একক মাস হিসাবে ডিসেম্বর মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধিও কমেছে। ডিসেম্বরে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫৬২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫৩০ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ৫.৭৫ শতাংশ। আর গত বছর একই সময় আয় হয়েছে ৫৩৬ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১.০৬ শতাংশ।

ইপিবির তথ্যমতে, জুলাই-ডিসেম্বর মাসে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল দুই হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৩৩৯ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ৭.৮৭ শতাংশ। একইভাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬৫ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫২ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ২০.২৩ শতাংশ। এ ছাড়া উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় দুই হাজার ৯৪২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৬৮০ কোটি ডলার। আয় কমেছে ৮.৮৯ শতাংশ। আর গত বছরের একই সময় আয় হয়েছে দুই হাজার ৬৫৬ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ।

পাশাপাশি প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ১১ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ১২.৬৮ শতাংশ। পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৫ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫০ কোটি ডলার। আয় বেশি হয়েছে ১১.৯০ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৯ কোটি ডলার। আয় হয় ৪৩ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কম হয়েছে ১১.৯৭ শতাংশ। পাশাপাশি গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয় ৪৮ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে ১০.২৪ শতাংশ।