বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

সীমিত হচ্ছে বাজেটের আকার

সীমিত হচ্ছে বাজেটের আকার

আর্থিক সঙ্কট আর সাশ্রয়ী নীতি বাস্তবায়নে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ছেঁটে ফেলা হচ্ছে চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে। যা চূড়ান্ত হতে পারে এ মাসের মধ্যেই। আর কাঁটছাঁটের প্রায় পুরোটাই চলে যেতে পারে উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি থেকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান বাস্তবতায় এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। তবে চালু রাখতে হবে প্রবৃদ্ধিবান্ধব প্রকল্পগুলো।

 

সঙ্কট মাথায় রেখেই এবার তুলনামূলক ছোট বাজেট দিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। আগের ধারাবাহিকতা থেকে সরে আকারও বাড়ানো হয় সামান্য। কিন্তু তারপরও নতুনত্ব ছিল না বরাদ্দ বিভাজনে। তাই বছরজুড়ে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা খরচের লক্ষ্য ধরা হলেও তা থেকে প্রায় ৫ লাখ ৭ হাজার কোটিই রাখা হয় বেতন-ভাতা, সুদসহ অনুন্নয় খাতে। অন্যদিকে এডিপির আকার ধরা হয় ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। যার প্রায় পুরোটাই হয়ে পড়ে দেশি-বিদেশি ঋণনির্ভর। এমন অবস্থায় উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন থেকে সব মিলিয়ে ১ লাখ কোটি টাকা কমিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য এক অবস্থানে যেতে চায় অন্তর্বর্তী  সরকার।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উচ্চাভিলাষী কিছু কিছু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় পরে এটাকে রিভাইস করা হয়। রাজস্ব আদায়, অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় সেটাও করতে পারেনি আর ঋণের লক্ষ্যমাত্রাও অনেক সময় বিচ্যুতি হয়েছে। বিচ্যুতি না হলেও একই রকম থেকেছে কারণ আমরা আয়ও করতে পারিনি আবার ব্যয়ও করতে পারিনি। 

নানা কারণে, গেলো কয়েক বছর ধরেই এডিপি বাস্তবায়ন হতাশার। বিশেষ করে, সবশেষ অর্থবছরে এই হার নেমে যায় ৮০ শতাংশের ঘরে। যা ২০১৯-২০ থেকে পরের ৫ অর্থবছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। টাকার অঙ্কেও যা ছিল মাত্র ২ লাখ ৫ হাজার কোটি। তাই এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটির নতুন বরাদ্দ নিয়ে। ফলে অতি প্রয়োজনীয় ব্যয় ঠিক রেখে, কম গুরুত্বপূর্ণ এবং রাজনৈতিক প্রকল্প বাদ দেয়ার ইঙ্গিত রয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের।

চলতি বাজেটের এডিপিতে মোট প্রকল্প রয়েছে সোয়া ১৩শ’। এর মধ্যে পুরোপুরি শেষ করার লক্ষ্য মাত্র ২৯৫টি।