শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
খাল পরিষ্কার করতে নেমে কাদায় আটকালেন ইউএনও, এরপর যা করলেন ১৪ বলে ফিফটি! নারী টি-টোয়েন্টিতে নতুন বিশ্বরেকর্ড ভারতীয় ব্যাটারের আইপিএলের আগে চেন্নাই-হায়দরাবাদের বড় রদবদল, দল বদলালেন চার তারকা আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চমবারের মতো সিনেটর হলেন বাংলাদেশের শেখ রহমান ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিপি নাশরা সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনার ৬ মাসের কারাদণ্ড

আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনার ৬ মাসের কারাদণ্ড

আদালত অবমাননার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৬ মাস এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা শাকিল আলম বুলবুলকে ২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। 

বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের গ্রেফতার অথবা আত্মসমর্পণের দিন থেকে এই কারাদণ্ড কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত অবমাননার অভিযোগে করা মামলার শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়। প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন শেখ হাসিনা ও শাকিল আলম বুলবুলের পক্ষে শুনানি করেন। মামলায় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে যুক্ত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ‘আমার বিরুদ্ধে ২২৭টি মামলা হয়েছে, তাই ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’ এমন বক্তব্য সংবলিত একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা শেখ হাসিনার কণ্ঠ বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে অডিওটির সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত করে যে, সেটি শেখ হাসিনারই কণ্ঠ।

এই বক্তব্যকে আদালত অবমাননাকর বলে উল্লেখ করে প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে একটি আবেদন দাখিল করে। 

বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদেরক ১৫ মে’র মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দেওয়ায়, তাদের ২৫ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেটিও অমান্য করায় গত ২৬ মে ‘যুগান্তর’ ও ‘নিউএজ’ পত্রিকায় প্রকাশের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে ৩ জুন সকাল ১০টায় সশরীরে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু নির্দেশনা অমান্য করে অভিযুক্তরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হননি বা কোনো জবাবও দাখিল করেননি। এর প্রেক্ষিতে বুধবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করে।