শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পরিবারের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার অবরুদ্ধ করল সিআইডি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পরিবারের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার অবরুদ্ধ করল সিআইডি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার ভাই ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাড়ে চার কোটিরও বেশি শেয়ার অবরুদ্ধ করেছে সিআইডি।

জাবেদ ও তার ভাই ইউসিবি ব্যাংক পিএলসির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং রনির স্ত্রী মেঘনা ব্যাংক পিএলসির সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরীর নামে এসব শেয়ারের মালিকানা ছিল।

আজ (বুধবার) সিআইডির পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযুক্তরা অবৈধ অর্থ দিয়ে এসব শেয়ার কিনেছিলেন। 

এতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত ১৮ নভেম্বর সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটও এই অনুসন্ধান পরিচালনা করছে। অপরাধের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত অপর সদস্যদের শনাক্তকরণ ও অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সিআইডির অনুসন্ধান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অভিযুক্তদের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যক্তিগত হিসাব ও তাদের কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ক্রয় করা হয়েছিল। এর তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পরে স্টক ডিভিডেন্ড যোগ হয়ে শেয়ার সংখ্যা বেড়ে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫-এ উন্নীত হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন।

অবৈধ অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল এবং তা পুনরায় দেশে এনে বৈধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে মোট ২ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৪৪ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়। এই টাকা অভিযুক্তদের সহযোগী আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবি ব্যাংক ও এনআরবিআইসি ব্যাংকের এফসি অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছিল।