শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে নিশ্চয়তার ঘাটতি রয়েছে: আখতার হোসেন

ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে নিশ্চয়তার ঘাটতি রয়েছে: আখতার হোসেন

বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার টাকা প্রকৃত উপকারভোগীরা সঠিকভাবে পাচ্ছেন না- অভিযোগ করে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

রংপুর-৪ আসনে ১১ জোটের এ প্রার্থী গতকাল রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের মাটির জুম্মা এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে এসব প্রশ্ন তোলেন।  

আখতার হোসেন বলেন, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ও বিধবাদের জন্য ভাতা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে এসব টাকা পেতে মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে মানসম্মান ধুলার সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হয়। বয়স ৭০ হলেও, কেউ প্রতিবন্ধী হলেও বা স্বামীহারা হলেও ভাতা পেতে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়—এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে।

নির্বাচনে বিএনপির করা প্রতিশ্রুতির ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়, তাহলে তার বণ্টন সঠিক হতে হবে। তারা কি আদৌ জনগণের ন্যায্য হক বুঝিয়ে দিতে পারবে? সেটা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ভাতা যেন কোনো নেতার দয়ার ওপর নির্ভরশীল না হয়। যার যে ন্যায্য অধিকার আছে, সে যেন তা সহজেই পায়—এমন ব্যবস্থাই তাঁর লক্ষ্য। 

তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে শাপলা কলি মার্কায় বিজয়ী করেন, তাহলে দুস্থ, প্রতিবন্ধী ও বিধবাদের ন্যায্য ভাতা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেব। 

সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কাজ বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলাদা টিম গঠনের কথাও জানান আখতার হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের এলাকার ন্যায্য হিস্যা আদায় করে আনতে হলে কাজ বুঝে করার মানুষ দরকার। আগের প্রতিনিধিরা নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য সামলাতেই ব্যস্ত ছিলেন।

এলাকার অবকাঠামো পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। বর্ষাকালে ভোট হলে জনগণ কোনো নেতাকেই এলাকায় ঢুকতে দিত না।

ভোট কেনাবেচার সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, ভোটের আগের রাতে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা 

করা হয়। কিন্তু পাঁচ বছরে মানুষ কী পাবে, তার কোনো গ্যারান্টি থাকে না। এই ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।

শেষে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের বলবেন—আমি আপনাদের এলাকার ছেলে। আমার পরিকল্পনাগুলো যদি ভালো লাগে, তাহলে শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিন। কোটি টাকা খরচ করে ভোট করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আর সেটা উচিতও না। আপনাদের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। সবাই দোয়া করবেন।