বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

জমাকৃত ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের নতুন নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

জমাকৃত ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের নতুন নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত প্রদান এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-০৪ শাখার উপসচিব আবেদা আফসারী স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার স্বার্থে পূর্বে জমা নেওয়া বৈধ অস্ত্রসমূহ নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ফেরত দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অস্ত্রের লাইসেন্স ও মালিকানা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দি আর্মস্ এক্ট, ১৮৭৮-এর ২৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় এখন অস্ত্র ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী তিন ধরনের অস্ত্র ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এগুলো হলো, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির পূর্বে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র এবং ইতোমধ্যে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে বৈধ হিসেবে প্রতীয়মান অস্ত্রসমূহ।

তবে অস্ত্র ফেরতের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লাইসেন্স, অস্ত্রের বৈধতা, ব্যবহার এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় পুনরায় পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই শেষে যেসব লাইসেন্স সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বলে প্রতীয়মান হবে না, সেসব ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে জমাকৃত অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব অস্ত্র এখনো জমা দেওয়া হয়নি বা অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে সন্দেহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈধ অস্ত্রধারীদের স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।