বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

বৈধ উৎস থেকে কোরবানির পশু কিনতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

বৈধ উৎস থেকে কোরবানির পশু কিনতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি চোরাইপথে আনা পশু নয়, বরং বৈধ উৎস হতে শরিয়ত সম্মতভাবে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান জানিয়েছেন।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আজ সকালে গাবতলী পশুর হাটে আয়োজিত কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ বা চোরাইপথে আসা পশু কোরবানির উপযোগিতা সম্পর্কে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতিরাই সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তবে, এক্ষেত্রে আমি সবাইকে আহ্বান জানাব যে, আপনারা বৈধ উৎস থেকে কোরবানির পশু কিনবেন।

তিনি আরো বলেন, কোরবানি দেওয়া হয় আল্লাহর খুশির জন্য। তাই কোরবানি যাতে সহিহভাবে ও হালাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
 
তিনি আরো বলেন, এ বছর কোরবানির হাটে গবাদিপশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অসুস্থ পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, জ্বর পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা হাটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে পশুর যেকোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ গবাদিপশু, সেখানে দেশে এবারের কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে । ফলে প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

এ পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দূর করা, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা রোধে সরকার সতর্ক রয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।