শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

চোখের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

চোখের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

চোখের স্বাস্থ্যকে কেবল চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষাসংস্থান, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা ও সার্বিক জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান হোটেল রেনেসাঁ আন্তর্জাতিক দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আই হেলথ বিয়ন্ড হেলথ’- শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চোখের স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সহজলভ্য করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। প্রতিটি নাগরিক, সে যে অঞ্চলেই বসবাস করুক না কেন- গুণগত মানের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার তার রয়েছে।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসা ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির কথা স্মরণ করে তিনি চিকিৎসক, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও ও বিভিন্ন অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত আরও বলেন, দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসের প্রকোপ এবং গ্রাম ও দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষের সেবা প্রাপ্তিতে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। 

বিশেষ করে নারী, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও দুর্গম এলাকার সুবিধা বঞ্চিত মানুষরা যাতে সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা পান, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় চক্ষু স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নে একটি বড় ধরনের র‌্যাপিড অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগামীর পাঁচ বছরের পরিকল্পনা প্রণয়নে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব দূর  করা হব জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন,  সামনের দিনগুলোতে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার বিষয়গুলো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। সরকার ইতোমধ্যেই এগুলো নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগে ছানি দূরীকরণে বিশেষ উদ্যোগ ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০: ছানি নির্মূল কর্মসূচি’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার রস পাইপার, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম.এম. কাদির ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ।