মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

ইসরাইল-ইরান উত্তেজনা, যুদ্ধ নিলে যা বলল বাংলাদেশ

ইসরাইল-ইরান উত্তেজনা, যুদ্ধ নিলে যা বলল বাংলাদেশ

ইসরাইলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। দুদেশের মধ্যে চলমান সংঘাতের ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ। 

রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে দায়িত্বশীল রাষ্ট্রগুলোকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চিট গ্রিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার। আমরা যেকোনো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আমরা চাই পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, সব যুদ্ধ বন্ধ হোক।’

গাজায় অবিলম্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বিচারে নারী ও শিশু, সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হচ্ছে, সেটি অবিলম্বে বন্ধ হোক।’

ইসরাইল-ইরান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইসরাইল সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে আক্রমণ করার প্রেক্ষিতেই ইরান এই আক্রমণ করার সুযোগ পেয়েছে।আমরা আশা করি, দায়িত্বশীল রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে ভূমিকা রাখবে।’

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় শনিবার রাতে ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেন থেকেও হামলা চালানো হয়। ইসরাইল বলছে, তিনশর বেশি ড্রোন, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। 

রোববার ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ দাবি করেছে, ইরানের বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। ইসরাইলি ভূখণ্ড অতিক্রম করার আগেই এই অঞ্চলের কৌশলগত মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে সেগুলো ঠেকিয়ে দেয়া হয়।