শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

ফ্রান্সে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। একইসঙ্গে দেশটিতে আগাম নির্বাচনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। সদ্য সমাপ্ত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরেই হঠাৎ সংসদীয় নির্বাচনের এই ঘোষণা দেওয়া হলো।

সোমবার (১০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইইউ নির্বাচনে নিজের মধ্যপন্থি জোটকে অতি-ডানপন্থিরা পরাজিত করার পরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ রোববার পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি আগাম আইনসভা নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছেন।

হঠাৎ এই ধরনের সংসদীয় নির্বাচনকে স্ন্যাপ লেজিসলেটিভ ইলেকশন বলা হয়। জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ জুন ফ্রান্সে প্রথম দফায় সংসদের নিম্নকক্ষের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ৭ জুলাই।

সংবাদমাধ্যম বলছে, সদ্য সমাপ্ত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নির্বাচনে খারাপ ফলের কারণেই হঠাৎ করে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়েছে। ইইউয়ের ওই নির্বাচনে ন্যাশনাল র‌্যালি থেকে শুরু করে কট্টর ডানপন্থি দলগুলো প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

এই কথা কার্যত স্বীকারও করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, ‘যারা ইউরোপকে রক্ষায় কাজ করতে চায়, সেই সমস্ত দলের জন্য এটা মোটেও ভালো ফলাফল নয়। অতি ডানপন্থি দলগুলো... মহাদেশের সর্বত্রই ভালো করছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে।’

তার ভাষায়, ‘এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমি নিজেও পদত্যাগ করতে পারছি না। আমি আপনাদেরই (জনগণ) বেছে নেওয়ার অধিকার দিতে চাই। তাই আজ রাতে পার্লামেন্ট ভেঙে দিচ্ছি।’

ফরাসি এই প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠোর সিদ্ধান্ত। কিন্তু একইসঙ্গে এটা আত্মবিশ্বাসের পদক্ষেপও। আমার আপনাদের ওপরে আস্থা রয়েছে। ফ্রান্সের জনগণ নিজের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেরাটাই বেছে নেবেন।’