শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ

গাজীপুর মহানগরীর তেলিপাড়া এলাকার লুমেন টেক্সটাইলের শ্রমিকরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। এদিকে, গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা।  

রোববার বেলা সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত লুমেন টেক্সটাইলের শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে তুলে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শ্রমিকদের দাবি, কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসেই বেতন দিতে দেরি করে। আমরা বলেছিলাম যেহেতু রমজান মাস এজন্য এই মাসে আগে বেতনটা দিতে। আজ (রোববার) বেতন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে বেতন দেয়নি। এজন্য আমরা মহাসড়ক অবরোধ করেছি। 

বাসন থানার ওসি কায়সার আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। 

সার্বিক বিষয়ে জানতে লুমেন টেক্সটাইলের ভেতরে গিয়ে কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। 

এদিকে, রোববার সকালে টঙ্গীর এমটারনেট গ্র“পের দুটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস এক্সপোর্ট ভিলেজ ও ব্রাভো ম্যানুফ্যাকচারার লিমিটেড কারখানায় নোটিশ ঝুলিয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে সকাল থেকে কারখানা দুটির কয়েক হাজার শ্রমিক সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা নানা দাবি জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার মেশিন ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

কারখানা দুটির শ্রমিকরা তাদের অর্জিত বাৎসরিক ছুটির টাকা, ২৫ মার্চ ঈদ বোনাস, যে সব শ্রমিক এক বছর ধরে চাকরি করছেন তাদের চলতি মার্চ মাসের অগ্রিম অর্ধেক বেতন ও যে সব শ্রমিকের চাকুরির মেয়াদ এক বছরের কম তাদের বেতন চলতি মার্চ মাসের ২৯ তারিখের মধ্যে পরিশোধের দাবি জানায়। এর পরেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর একটি দল, গাজীপুর শিল্প পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে রোববার কারখানা দুটির শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়নি।

কারখানাটির মানব সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস সুজন বলেন, শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক (টঙ্গী জোন) ইসমাইল হোসেন বলেন, সোমবার থেকে কারখানা চালু থাকবে। শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবেন।