শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে মহাসড়কে বিক্ষোভ

গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে মহাসড়কে বিক্ষোভ

গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাবিনা আক্তার (২৮) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিক ও স্থানীয়রা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বাধে, এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাবিনা আক্তার ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার খালসাইদ ফুনা গ্রামের বাসিন্দা রাব্বির স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, ইফতারের পর ‘গোল্ডেন রিপিট’ নামে একটি কারখানা খোলা থাকলে সাবিনা ইফতার শেষে কারখানার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে দ্রুতগতির একটি মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা প্রথমে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।

নারী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সহকর্মী শ্রমিক ও স্থানীয়রা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় উত্তেজিত শ্রমিক ও জনতা কারখানায় ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

সংঘর্ষের সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা মহাসড়কে ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর চালায়, এতে অনেক যাত্রী আহত হন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের সঙ্গে যোগ দিলে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও লাঠিচার্জ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

জয়দেবপুর থানার ওসি আব্দুল হালিম বলেন, ‘শ্রমিক নিয়ন্ত্রণের সময় বহিরাগতরা সুযোগ নিয়ে কারখানায় ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পুলিশ বাধা দিলে তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয় এবং যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়।’

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না বা কোনো অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।