শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক : প্রধান উপদেষ্টা

নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক : প্রধান উপদেষ্টা

‘চীনকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের সম্পর্ক বছরের পর বছর ধরে খুবই শক্তিশালী। আমাদের ব্যবসা খুবই শক্তিশালী এবং চীনের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা থেকে আমরা উপকৃত হচ্ছি।

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলে তিনি আশা করেন।

 চীন যা অর্জন করেছে তাতে বাংলাদেশের সবাই অনুপ্রাণিত-উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ হল একটি নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠন করা এবং জনগণ আশা করে যে, তারা নিজ দেশের উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারবে।

চীনের দারিদ্র্য হ্রাসের অর্জন সম্পর্কে ইউনূস বলেন, বেশিরভাগ দেশ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পরিবর্তে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেয়। কিন্তু চীন নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর ওপর জোর দেয়। এ কারণেই চীনারা দ্রুত দারিদ্র্য হ্রাসে খুব সফল।

 সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উচ্চপর্যায়ের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে। চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১,০০০ চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, যা মোট ৫,৫০,০০০ এরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

ইউনূস উল্লেখ করেন যে, দুই দেশ ব্যাপক সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করেছে, যা অনেক ইতিবাচক ফলাফল এনেছে। চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি বাড়ছে। আমাদের শিল্প-ব্যবহারের বেশিরভাগ পণ্য আসে চীন থেকে।

 ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ইউনূস দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিপূরকতা এবং তাদের বিশাল সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। 

তিনি আশা করেন, আরও চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আসবেন এবং স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে একটি বৃহত্তর বাজার উন্মুক্ত করবেন।

 সম্প্রতি বাংলাদেশি রোগী, ডাক্তার এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর প্রথম দলটি চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে চিকিৎসা পরীক্ষা ও চিকিৎসা পর্যটন বাজারের সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে গিয়েছিল।

 ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে শিখতে এবং জনগণের উপকারে একটি উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

এবছর চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী এবং এটিকে চীন ও বাংলাদেশ জনগণের সাথে জনগণের বিনিময় বছর হিসেবেও মনোনীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীনের বিগত ৫০ বছরের সম্পর্ক চমৎকার ছিল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ৫০ বছর আরও সুদৃঢ় হবে।’

 তিনি বলেন, বৃহত্তর ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য উন্মুখ আমরা। এটাই দেখার অপেক্ষায় আছি।