শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাক খাতে ক্ষতির আশঙ্কা দেড় হাজার কোটি টাকা কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম কী হলো? চিকিৎসার কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে ১২ জনের হামলা, গ্রেফতার দুই অভিনয়শিল্পী নেতানিয়াহুকে সরাতে ৬৭ এমপির সমর্থন, ইসরাইলে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস ২০২৯ সালে বন্ধ হচ্ছে টু-জি, অচল হয়ে যাবে ৬ কোটির বেশি বাটন ফোন? বাড্ডায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভাঙল, কেটে দেওয়া হলো পায়ের রগ যুদ্ধবিরতিতে ৬ লাখ কোটি টাকা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় হুতিরা বইয়ের স্বপ্ন নিয়ে গড়া উদ্যোগ, ২৬ বছরেই ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অরূপের ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, বললেন ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’

প্রেসিডেন্টসহ ১০ কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

জিম্বাবুয়ে


প্রেসিডেন্টসহ ১০ কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য নেতার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।  মানাঙ্গাগওয়ারের কর্মকাণ্ডের কারণে নিষেধাজ্ঞা থেকে বাদ যায়নি তার স্ত্রীও। 

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পদ আটকে যাবে এবং সেখানে বেসরকারি উদ্যোগে বা ব্যক্তিগতভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন না তারা। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের আরও ১০ জন ব্যক্তি এবং তিনটি ব্যবসার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই নিষেধাজ্ঞাগুলো একটি বিস্তৃত প্রোগ্রামের স্থালাভিষিক্ত হবে যা দুই দশক আগে চালু হয়েছিল। 

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন প্রত্যক্ষ করছি।’

যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে জিম্বাবুয়ের ওপর অর্থনৈতিক এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে এবং অন্যান্য উচ্চ-পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে সেসময় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

মূলত তাদেরকে দেশে গণতন্ত্রকে দুর্বল করার জন্য অভিযুক্ত করেছিল ওয়াশিংটন। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যসহ বিভিন্ন দেশ জিম্বাবুয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন ইতোমধ্যেই জিম্বাবুয়েতে ‘বহু অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন এবং বেআইনি হত্যার ঘটনা’ উল্লেখ করেছেন যা মানুষকে ‘চরম শঙ্কার’ মধ্যে ছেড়ে দিয়েছে।